ভূত ও ভাড়াটে
ভূত ও ভাড়াটে পল্লবী সাহা চৌকিতে বসে বসে মনের আনন্দে পা নাচাচ্ছিল রজত। শিস দিতে দিতে ঘরের চারপাশটায় আর একবার চোখ বুলিয়ে নিল। তারপর ধপ করে শুয়ে পড়লো চৌকিতে। আহ্ শান্তি! আরামে চোখ বুজলো রজত। ঘোষাল বুড়ো মরেছে আজ। বড় শান্তি দিয়ে গেছে। এখন অন্ততঃ এক বছরের জন্য নিশ্চিন্ত। কম জ্বালিয়েছে বুড়ো! রোজ অফিস থেকে ফিরতে না ফিরতেই ডাক পড়তো। মুখ প্যাঁচার মতো করে পাচন গেলার মতো করে বাণী শুনতে হতো রজতকে। কবে ঘর ছাড়বে, নতুন ঘর পেল কিনা, আদৌ খুঁজছে কিনা, এতদিনেও কেন অন্য কোথাও ঘর পেল না ইত্যাদি প্রভৃতি। আরে ঘর পাওয়া কি অতই সোজা? অত কঠিনও নয় বটে। সত্যি বলতে রজত খোঁজেইনি সেভাবে। এইখানে থাকলে তার অনেক সুবিধে। এক তো অফিস কাছে, ভাড়া কম, এতো বড় ঘর, তাছাড়া চব্বিশ ঘন্টা লাইট জল কোন বাধা নেই। এত সুখ ছেড়ে দেয় কেউ বোকার মত? তাই মাথা চুলকে বলতে হত, " আসলে কাকু, ব্যাচেলার মানুষ তো, অনেকে ভাড়া দিতে চায় না। নইলে বলতো, " ভাড়া অনেক বেশি কাকু, সবার তো আর আপনার মত দয়ার শরীর নয়"। চিঁড়ে ভিজতো না অবশ্য এতে। উল্টে আরো কিড়মিড়িয়ে উঠত বুড়ো, "দয়ার শরীর আমার নয়, আমার ছেলের। অন্য কেউ...